
শফিকুল ইসলাম, নিজেস্ব প্রতিবেদন, শিবগঞ্জ
নানা সংকটে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মানুষের স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স। জনবল সংকটের সাথে দালালদের উৎপাতে ব্যাহত হচ্ছে খাঙ্খিত সেবা। সেই সাথে মাদকাসক্তদের অবাদ বিচরণে হতাশ এখানে সেবা নিতে আসা রোগী ও স্বজনরা। রোগী ও তাদের স্বজনদের সাথে কথা বলে এমন চিত্রই উঠে আসে।
সীমান্তবর্তী শিবগঞ্জ উপজেলার মানুষের চিকিৎসা সেবার একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে আউটউর ও ইনডোরে প্রতিদিনই থাকে রোগীদের ভিড়। প্রতন্ত এলাকা থেকে আসা রোগীদের বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে ভাগিয়ে নিতে এখানে সক্রিয় একাধিক দালাল। রোগীর স্বজন বা ভিন্ন পরিচয়ে স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের আশেপাশেই এরা বিচরন করে আসছে দিনের পর দিন। শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স কে ঘিরে অন্তত ১০-১২ জন দালাল সক্রিয়।
যেসব বিভাগে রোগী বেশি, অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন পড়ে, সেসব রোগীদের উন্নত চিকিৎসার কথা বলে সেরকারি ক্লিনিকে ভাগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে দালালরা। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যাওয়া, এমনকি নির্ধারিত ফার্মেসীতে ঔষধ কেনার জন্যও নিয়ে যাওয়া হয়। আর এসবই করেন দালালরা কমিশনের ভিত্তিত্তে। তাদের রয়েছে মাসিক সাপ্তাহিক ও রোগী প্রতি চুক্তি।
এদিকে স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের আবাসিক এলাকায় ঘটে যাওয়া চুরির ঘটনায় এখনো কোন সুরাহা না হওয়া, মাদকাসক্তদের অবাদ বিচরনে বেশ অস্বস্তিতে এখানে বসবাস করা স্টাফরা।
এ ব্যাপারে শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও প: প: অফিসার মোসা. সায়েরা খান বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালাদদের দৌরাত্ব কমানো জন্য উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনকে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। ঔষধ রীতি মত রোগীদের দেয়া হচ্ছে। ঔষদ কোম্পানীর প্রতিনিধিদের আগমন শতভাগ বন্ধ করতে কাজ চলছে। মাদকের আড্ডার ক্ষেত্রে আমার কাছে কোন অভিযোগ নেই। তবে অভিযোগ আসলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। জনবলের ক্ষেত্রে ডাক্তারের ঘাটতি ১২জন, কনসালটেন্ট ৫জন সহ কর্মচারী ও ৪র্থ শ্রেণীর জনবল সংকট আছে যা উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।