পাম্পে তেল মজুদের সীমা নির্ধারণে বিএসটিআইয়ের পর্যবেক্ষণ
রিজাভ ট্যাংক এর পরিধি দেখে ডেড স্টক নির্ধারণ , যা পাম্প ভেদে ভিন্ন হতে পারে

তেল বিক্রির সময় তেলের পাম্পে তেল মজুদ (ডেড স্টক) রাখা নিয়ে প্রায় গ্রাহকদের সাথে সৃষ্টি হচ্ছে ভুলবুঝাবুঝি, অনেক সময়্ই তা গড়াচ্ছে বাগবিতন্ডা পর্যায়ে। এ ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে তেলের পাম্প গুলোর তেলের রিজাভ ট্যাংক পরিক্ষা করে, কতটুকু তেল না রাখলেই নয়, সেই পরিমান নির্ধারনে চাঁপাইনবাবগঞ্জে তেলের পাম্প পর্যবেক্ষন করেছে বিএসটিআই এর একটি এক্সপার্র্ট টিম।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বিশ্বরোড মোড় থাকা মেসার্স হোসেন পেট্রোলিয়ামে মঙ্গলবার বিকালে বিএসটিআই এর রাজশাহী কার্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল পর্যবেক্ষনে আসে। এসময় তারা পাম্পটির ডিজেল ও পেট্রোল এর রিজার্ভ ট্যাংক পরীক্ষা করে, তেলের সর্বশেষ মজুদের সীমা নির্ধারণ করে দেয়। এখানে জিজেলের জন্য ১৬৩২ লিটার ও পেট্রোল ৭৫০ লিটার ডেড স্টক নির্ধারণ করা হয়।
পরে প্রতিনিধি দলের প্রধান রাজশাহী বিএসটিআই এর সহকারী পরিচালক আজিজুল হাকিম সংবাদিকদের জানান, তেলের পাম্পে কিছু টেকনিক্যাল বিষয় থাকে, কিছু তেল অবশিষ্ট রাখতেই হয়, এটা না রাখলে টেকনিক্যাল নানা সমস্যা দেখা দেয়, এটাকে আমরা আমাদের ভাষায় ডেড স্টক বলে থাকি। গ্রাহকরা এখন অনেক সময় দাবি করেন যে যতক্ষণ পর্যন্ত তেল আসবে, ততক্ষন পর্যন্ত মেশিন চালাতে হবে। কিন্ত ডেড স্টক অতিক্রম করে মেশিন চালু রাখলে নানা টেকনিক্যাল সমস্যা হয়, এমনকি মিটারে উঠলেও গ্রাহক সঠিক তেলের পাবেন না। গ্রাহকদের সাথে পাম্প মালিকদের ভুল বুঝাবুঝি দূর করতে, আমরা গতকাল রাজশাহীর বেশ কিছু পাম্পে পর্যবেক্ষন করে ডেড স্টক নির্ধারণ করে দিয়েছি, আজকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসেছি।
প্রতিনিধি দল জানায়, তারা রিজাভ ট্যাংক এর পরিধি মেপে মেসার্স হোসেন পেট্রোলিয়ামে এ পাম্পে জিজেলের জন্য ১৬৩২ লিটার ও পেট্রোল ৭৫০ লিটার ডেড স্টক নির্ধারণ করেন। তবে এই পাম্পের মত যে অন্যগুলো হবে এমনটা নয়, অনান্য পাম্পের ক্ষেত্রে তাদের রিজাভ ট্যাংক এর পরিধি দেখে সেখানকার ডেড স্টক নির্ধারণ করতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী বিএসটিআই এর মেট্রোলোজি বিভাগের পরিদর্শক জয় কুমার ঘোষ, সরকার নিযুক্ত তদারকি কর্মকর্তা ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান,মেসার্স হোসেন পেট্রোলিয়ামের স্বত্বাধিকারী আলমগীর মুরশেদ শিমুলসহ অনান্যরা।



